জালিয়াতরা পুলিশের নাম করে ‘জাল’ চালান পাঠায়। তাতে দাবি করা হয়, ট্র্যাফিক আইন ভাঙার কারণে জরিমানা করা হচ্ছে। সেই টাকা দেওয়ার জন্য একটি লিংকও পাঠায় তারা। যদি কেউ একবার সেই লিংকে ক্লিক করে ফেলে তাহলেই গোলমাল।
ক্লিক করার পর একটি অ্যাপ ইনস্টল হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। এবং সেই সময় নানা ধরনের অ্যাক্সেস চাইতে থাকে অ্যাপটি। এর মধ্যে কনট্যাক্ট, ফোন নম্বর, এসএমএস এমনকি সেটাই ‘ডিফল্ট’ মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতিও রয়েছে। একবার সেই অনুমতি দিয়ে অ্যাপটি ইনস্টল করে ফেললে হ্যাকাররা ইউজারের ই-কমার্স অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে ৪ হাজার ৪০০ ডিভাইসে হামলা চালিয়েছে হ্যাকাররা। তবে সবচেয়ে বেশি ভারতের গুজরাটের ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে।
.png)
কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন-
হোয়াটসঅ্যাপের পাশাপাশি ই-মেইল এবং অন্যান্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও ফাঁদ পাতে হ্যাকাররা। নিত্যনতুন টোপ ব্যবহার করে তারা। সেই বিপদ থেকে বাঁচতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।