গুগল ম্যাপসে এ ধরনের নাম রয়েছে যেসব স্থানে-
রাজধানী ঢাকার মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের নিচে গুগল ম্যাপসে একটি জায়গার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এইখানে পুলিশ ধরে’। কী ধরে? সেটা আবার কাপ্তান বাজারের পাশের একটি জায়গার নামে বলে দেওয়া হয়েছে, ‘এইখানে পুলিশ গাড়ি ধরে!’
.png)
শুধু মগবাজার আর কাপ্তান বাজার নয়, যশোরের চৌগাছায়, কুষ্টিয়ায়, গোপালগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ঈশ্বরদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুগল ম্যাপসে এই জাতীয় লোকেশন পিন যুক্ত করা হয়েছে।
এক স্থানে লেখা হয়েছে, ‘বাইকার ভাইয়েরা সাবধান, এখানে পুলিশ গাড়ি ধরে!’ আরেক জায়গায় যুক্ত করা হয়েছে, ‘এখানে পুলিশ গাড়ি ধরে, হেলমেট ছাড়া যাইস না।’ আবার কখন ধরে সেটাও লেখা আছে কোথাও কোথাও! ফরিদপুরের ধলার মোড়ের পাশের একটি জায়গার নাম দেওয়া হয়েছে ‘এখানে পুলিশ ধরে সকালে।’
খোঁজ করে জানা যায়, গুগল ম্যাপসের লোকেশনে ‘এখানে পুলিশ গাড়ি ধরে’ পিনটি বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে। ওখানকার বিভিন্ন এলাকার অলিতে-গলিতে কিংবা কিছু দূর পরপরই এই পিন যুক্ত করা হয়েছে।
গুগল ম্যাপস হলো একটি ওয়েব ম্যাপিং প্ল্যাটফর্ম। এটি থেকে গন্তব্যে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দেখে নেওয়া যায়। পাশাপাশি কোন রাস্তা দিয়ে দ্রুত যাওয়া যাবে তা–ও জানা যায়।
এটি স্যাটেলাইট চিত্র, এরিয়াল ফটোগ্রাফি, রাস্তার মানচিত্র, রাস্তার ৩৬০ ডিগ্রি ইন্টারেক্টিভ প্যানোরামিক ভিউ, রিয়েল-টাইম ট্রাফিক পরিস্থিতি এবং পায়ে হেঁটে, গাড়িতে, বাইকে, বিমান ভ্রমণের রুট দেখিয়ে থাকে। ফলে অপরিচিত কোনো এলাকায় যাওয়ার জন্য বা ঠিকানা খুঁজতে গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই।
ঢাকার গুগল ম্যাপসের এইট লেভেলের লোকাল গাইড মাহমুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, ম্যাপে আমরা মূলত রিভিউ ও ছবি যোগ করে থাকি। মাঝে মধ্যে সড়কও। ভুলভাল নাম চোখের সামনে আসলেই এডিট করে দিই। এক শ্রেণির বাইকাররা দুষ্টুমি করেই হোক বা সতর্কতার জন্যই হোক রাস্তার নামগুলো এভাবে পিন করে ঠিক করছেন না।