বুধবার (২৯ মে) দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ স্বল্পতার কারণে এখনো সাত হাজার টাওয়ার চালু করা যায়নি বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটর সূত্র।
জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের বানারীপাড়া, নেছারাবাদ, মুলাদী, নাজিরপুর, ইন্দুরকান্দি, হিজলা ও মেনেন্দিগঞ্জ থানার পাশাপাশি চট্টগ্রামের ১৫টি, বরিশালে ১২টি ও রাজশাহী বিভাগের নয়টি থানায় এখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়নি।
.png)
কিছু টাওয়ার ব্যাটারি ও জেনারেটর ব্যবহার করে চালু করা হয়েছে। কিছু জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত ফাইবার ক্যাবল মেরামত করা হচ্ছে। এদিকে ১৮ লাখ ব্রডব্যান্ড সংযোগ এখনো অফলাইনে রয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) সূত্র বলছে, ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ৪৫টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং টেলিযোগাযোগ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৪৫ হাজার ৬০১টি টাওয়ারের মধ্যে ২২ হাজার ২১৮টি বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল (২৮ মে) ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর থেকে ৩২ হাজার ৯০৬টি মোবাইল টাওয়ার নিষ্ক্রিয় ছিল।
এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ মে) অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেছিলেন, ৩০ হাজারেরও বেশি মোবাইল টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবারের মধ্যে এসব চালু হবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে ১০ মিনিট টকটাইম ও ৫০০ এমবি ডেটা বিনামূল্যে প্রদান করছে।