ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৭ কোটি ৩০ লাখ গ্রাহকের তথ্য বেহাত হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন এই টেক জায়ান্ট বলছে, এ ধরনের খবর তারা পেয়েছেন। তবে, নিজেদের সাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়নি। এ নিয়ে তারা তদন্ত শুরু করেছেন। এরই মধ্যে গ্রাহকদের পাসকোড বদলানো হয়েছে।
তবে, শুধু বর্তমান গ্রাহকদের তথ্য চুরি হয়েছে এমন নয়। আগে সেবা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিদেরও তথ্য বেহাত হয়েছে। তথ্যফাঁসের খবর পাওয়ার পর এসব আইডির কার্যক্রম খতিয়ে দেখছে মার্কিন এই টেক জায়ান্টটি।
.png)
ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৯ কিংবা তারও আগে এসব ডেটা এন্ট্রি করা হয়েছিল। এতে গ্রাহকদের নাম, ই-মেইল, জন্ম তারিখ রয়েছে। তবে, আর্থিক লেনদেনের কোনো তথ্য চুরি হয়নি বলে দাবি করেছে এটিঅ্যান্ডটি। মার্কিন এই টেক জায়ান্ট বলছে, থার্ড পার্টি থেকে এসব তথ্য নেওয়া হতে পারে।
আমেরিকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এই এটিঅ্যান্ডটি। ২৯ কোটি মানুষ এই প্রতিষ্ঠানের সেবা নিয়ে থাকেন।