ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ তথ্য প্রযুক্তি ]

দেশের বাজারে ৪০ শতাংশই চোরাই ফোন: এমআইওবি

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৩৭, ২৯ মার্চ ২০২৪
দেশের বাজারে ৪০ শতাংশই চোরাই ফোন: এমআইওবি
ফাইল ছবি

দেশে অবৈধভাবে মোবাইল হ্যান্ডসেট বা ফোন আমদানি বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাজারের প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ এখন চোরাই ফোনের দখলে। এতে চলতি অর্থবছরে সরকার প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে বলে আশঙ্কা মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি)।

বুধবার ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা। এতে উপস্থিত ছিলেন এমআইওবির সভাপতি ও এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজের জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি ও ইস্মার্টু টেকনোলজির রেজওয়ানুল হক, সাধারণ সম্পাদক ও ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্সের মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক ও গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনের জহুরুল হক বিপ্লব, কোষাধ্যক্ষ ও বেস্ট টাইকুনের ইমাম উদ্দিন, পরিচালক ও হালিমা টেলিকমের আবুল কালাম হাসান টগর প্রমুখ।

জাকারিয়া শাহিদ বলেন, দেশে মোবাইল ফোনের বাজার প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার। এ শিল্পে সরাসরি তিন থেকে চার লাখ মানুষ জড়িত। ২০১৮ সালের আগে বাংলাদেশে শতভাগ মোবাইল ফোন বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। কিন্তু সরকারি প্রণোদনায় ২০১৮ সাল থেকে দেশে একের পর এক মোবাইল কারখানা স্থাপিত হতে থাকে। এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ১৭টি মোবাইল ফোন কারখানা দেশে স্থাপিত হয়েছে।

Advertisement

তিনি বলেন, দেশের চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশ ফোনই এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু অবৈধভাবে ফোন আমদানি বন্ধ না করায় স্থানীয় বাজারের প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ এখন চোরাই ফোনের দখলে। তৈরি ফোন আমদানিতে যেখানে প্রায় ৫৮ শতাংশ কর রয়েছে, সেখানে এসব ফোন বিনা শুল্কে বাজারজাত হচ্ছে। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে কারখানা স্থাপন করা ব্যবসায়ীরা।

তিনি আরও বলেন, ১৭টি কারখানায় বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। এসব কারখানায় দক্ষ শ্রমিক ২৫ হাজারের বেশি। পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে আরও প্রায় ৫০ হাজার লোকের। সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি গড়ে ওঠার। আরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ মোবাইল ফোন রপ্তানির।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফোন প্রস্তুতকারকদের সংগঠন, মোবাইল ফোন অপারেটর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সব অংশীজনের সঙ্গে কয়েক বছরের পর্যালোচনা শেষে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ২০২১ সালে এনইআইআর চালু করে। এ সিস্টেমের মাধ্যমে কার্যকরভাবে মোবাইল ফোনের অবৈধ আমদানি ও বিক্রয় রোধ করা সম্ভব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!