স্পেসএক্স অবশ্য একে ব্যর্থতা বলে মানতে নারাজ। বিশাল মহাকাশযানটি যখন বিস্ফোরণে ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে পরিণত হয়েছে, তখন সদর দফতরে চলছে উদযাপন।
তাদের বক্তব্য, মহাকাশযানটি যে মাটি থেকে ঠিকঠাক ভাবে উৎক্ষেপণ করা গেছে, সেটি যে লঞ্চ প্যাডেই বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যায়নি, সেটাই বড় সাফল্য বলে মনে করছে তারা।
.png)
স্পেসএক্সের কর্মীদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন সংস্থার কর্ণধার ইলন মাস্ক। টুইটে তিনি লিখেছেন, কয়েক মাসের মধ্যেই পরবর্তী পরীক্ষামূলক লঞ্চ। আর তার জন্য আজকের উৎক্ষেপণ থেকে অনেক কিছু শেখা সম্ভব হয়েছে।
প্রসঙ্গত, স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশযান তৈরি করতে চাইছে, যা বার বার ব্যবহার করা যাবে। স্টারশিপের উচ্চতা ৩৯৪ ফুট, যা স্ট্যাচু অফ লিবার্টির চেয়েও ৯০ ফুট বেশি উঁচু। এই মহাকাশযানে ৩৩টি শক্তিশালী র্যাপ্টর ইঞ্জিন রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে তিন মহাকাশচারীকে এই মহাকাশযানে করে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে নাসার।