আগামী ১৮ জুলাই চীনে বন্ধ হবে তাদের এই সেবা। জানা গেছে, দিনের পর দিন কোম্পানিটি দেশটিতে লোকসান করে যাচ্ছে। এর জেরে কর্মীরাও ঝিমিয়ে পড়েছে। অনেকেই আবার বিভিন্ন সংস্থায় চাকরির চেষ্টা করছে। তাই বাধ্য হয়েই সেখানে ব্যবসা গোটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যামাজন।
এরপর অ্যামাজন থেকে চীনের সাধারণ জনগণ যদি কোনো কেনাকাটা করতে চান তাহলে জাপান, আমেরিকা, ব্রিটেন ও জার্মানীর অ্যামাজন ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।
.png)
ই-কমার্স সেবা বন্ধ হলেও আমাজন ওয়েব সার্ভিস, কিন্ডল ই-বুক এবং ক্রস-বর্ডার অপারেশনের মতো ব্যবসাগুলো আগের মতোই বহাল থাকবে।
তথ্য অনুযায়ী, চীনে ই-কমার্স ব্যবসার মধ্যে শুধু আলিবাবারই আধিপত্য ৫৮.২ শতাংশ। তারপরই রয়েছে জেডি ডটকম ১৬.৩ শতাংশ। পিনডুয়োডুয়োর ব্যবসা ৫.২ শতাংশ। আমাজনের ব্যবসা সেখানে রীতিমতো ধুঁকছিল।