বুধবার (৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি জোনে এই টিকা দেয়া হবে। ২ হাজার ১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
.png)
ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, শিশুরা যাতে সহজেই টিকা নিতে পারে, সেই লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকাদান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এতে নির্দিষ্ট বয়সের শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুল থেকেই টিকা গ্রহণের সুযোগ পাবে। এই টিকাদান কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মধ্যে টাইফয়েড রোগের সংক্রমণ ও এর জটিলতা হ্রাস করা।
এর আগে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির ব্যবস্থাপক আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, সারা দেশে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সি প্রায় ৫ কোটি শিশু ও কিশোর-কিশোরী বিনা মূল্যে এই টিকা পাবে। টিকাদান কর্মসূচি মোট ১৮ কর্মদিবস চলবে। প্রথম ১০ দিন বিদ্যালয়ভিত্তিক ক্যাম্পে এবং পরবর্তী ৮ দিন টিকাদান কেন্দ্রে প্রদান করা হবে।
তিনি বলেন, এই টিকা এক ডোজের ইনজেকশনে দেয়া হবে, যা ৩ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। টিকাগুলো গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স সরবরাহ করেছে এবং ভারতের তৈরি। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী শতভাগ পরীক্ষিত।