এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত ব্যাখ্যা করার আগে, প্রথমে ভাত এবং রুটির উপাদানগুলো ব্যাখ্যা করা যাক। পুষ্টিবিদদের মতে, ১২০ গ্রাম ভাতে ১৪০ ক্যালোরি থাকে। অন্যদিকে দুটি রুটিতে ১৫০ ক্যালোরি রয়েছে।
পুষ্টিবিদরা জানান, ভাতে রয়েছে ভিটামিন বি, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। যা পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং পেশি সচল রাখে। এতে কার্বোহাইড্রেটও রয়েছে। যা শরীরে শক্তি জোগায়। পেট ভরা লাগে। অন্যদিকে রুটিতে ফাইবার থাকে। যা ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
.png)
আপনি যদি লবণের পরিমাণ গণনা করেন তবে আপনি দেখতে পাবেন যে একই পরিমাণ ভাতে ১২০ গ্রাম লবণ থাকে এবং একই পরিমাণ রুটিতে ১৯০ গ্রাম লবণ থাকে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মতে, উভয় খাবারেই কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ রয়েছে এবং ভারতীয় পুষ্টিবিদ লভলিন কোর বলেছেন ভাত এবং রুটি সমানভাবে উপকারী। তবে সন্ধ্যায় হালকা খাবার খেতে চাইলে রুটির পরিবর্তে ভাতকেই বেছে নিতে হবে।
লাভলিন কোরের এর মতে, বেশিরভাগ মানুষ গ্রীষ্মে রাতে রুটি খাওয়ার পরে অসুস্থ বোধ করেন। তিনি বলেন, কারণ রুটি হজম হতে বেশি সময় নেয়, ভাত শরীরে দ্রুত হজম হয়। ব্লোটিং বা অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে রাতের খাবারের জন্য রুটির পরিবর্তে ভাত বেছে নিন।
ডায়েটেশিয়ান লাভলিন কোর আরো বলছেন, রাতের খাবারে ভাতকে প্রাধান্য দেওয়ার মানে এই নয়, ভাত বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে। কম পরিমাণে রাতের খাবার খাওয়ার উপকারিতা বেশি বলে মনে করেন তিনি। তবে এ খাবার খেতে হবে রাত ৮ থেকে ১০ টার মধ্যেই। তাহলেই খাবার থেকে সুফল মিলবে বলে মনে করছেন ডায়েটেশিয়ান লাভলিন।