চন্দ্রমল্লিকা বিশ্বের জনপ্রিয় মৌসুমি ফুলগুলোর অন্যতম। জনপ্রিয়তার দিক থেকে গোলাপের পরই এর স্থান। এর বিচিত্র গড়ন, বর্ণ, রূপ, সব মিলিয়ে ফুলটিকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে স্থান করে দিয়েছে। চন্দ্রমল্লিকা জাপানের জাতীয় ফুল। এই ফুলের অনেকগুলো প্রজাতি রয়েছে। এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়। বিভিন্ন রঙের এই ফুলগুলোর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমূল্য রয়েছে প্রথম সারিতে।
অক্টোবরে কুঁড়ি আসে এবং নভেম্বরে ফুল ফোটে৷ গাছে ফুল তাজা থাকে ২০ থেকে ২৫ দিন৷ চন্দ্রমল্লিকা ফুল কুঁড়ি অবস্থায় তুললে ফোঁটে না। বাইরের পাপড়ি গুলো সম্পূর্ণ খুলে গিয়েছে এবং মাঝের পাপড়ি গুলো ফুটতে শুরু করেছে এমন অবস্থায় খুব সকালে অথবা বিকেলে ধারালো ছুরি দিয়ে দীর্ঘ বোঁটাসহ কেটে ফুল তোলা উচিত। জাত ভেদে ফলন কম বেশি হয়। তবে গাছ প্রতি বছরে গড়ে ৩০-৪০ টি ফুল পাওয়া যায়। ফুলদানি সাজানোর জন্য লম্বা ডাঁটাসহ এবং মালা গাঁথার জন্য ডাঁটা ছাড়া ফুল তোলা হয়। বাংলাদেশে শীতকালই এই ফুল চাষের উত্তম সময়। জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ সুনিস্কাশিত দো আঁশ ও বেলে মাটি চন্দ্রমল্লিকা চাষের জন্য উপযোগী। চন্দ্রমল্লিকার রয়েছে ঔষধি গুণাগুন।
.png)
উপকারিতা:
১. চন্দ্রমল্লিকার রস খেলে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ভালো হয়।
২. চন্দ্রমল্লিকার রস খেলে জ্বর দ্রুত ভালো হয়।
৩. চন্দ্রমল্লিকার রস চোখে দিলে চোখের লালভাব কেটে যায়।
৪. চোখ হঠাৎ ফুলে গেলে ফোলা চন্দ্রমল্লিকার রস ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
৫. চন্দ্রমল্লিকার রস দিয়ে চা বানিয়ে খেলে মাথা ব্যথা ব্যথা দ্রুত ভালো হয়।