কমলাপুর স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের সেই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভিক্টোরিয়া ও বারিধারা। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ঘরোয়া ফুটবলে অভিষেক হয় টার্ফের মাঠের।
আগে বর্ষা মৌসুমে কাদা থিকথিকে মাঠে খেলতে হয়েছে ফুটবলারদের। টার্ফের মাঠে বড় সুবিধা, এখানে ১২ মাসই খেলা যায়। তাছাড়া এটির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ঘাসের মাঠের চেয়ে কম।
.png)
তবে টার্ফের নেতিবাচক দিকও আছে। তীব্র গরমে খেলা যায় না। ফুটবলারদের বেশি শক্তি ক্ষয় এবং চোট-আঘাত বেশি হয় বলেও আলোচনা আছে। যদিও বাফুফে বলছে, ফিফার গবেষণা অনুযায়ী টার্ফে চোট তুলনামূলক কম হয়। কারণ, ইনডোর এই মাঠগুলোয় রাবারের তৈরি এক প্রকার কৃত্রিম ঘাস লাগানো থাকে, তাতে চোট লাগার ঝুঁকি অনেকটাই কম থাকে। এজন্য সারাবিশ্বে জনপ্রিয় হচ্ছে টার্ফের মাঠ।
২০১৫ সালে টার্ফের গায়ে লাগা হাওয়া উন্মাদনা ছড়ায় ২০১৮ সালে। সেবার মাঠ রক্ষার আন্দোলন নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ খোলা হয়। সেই গ্রুপের চিন্তা থেকেই গণজোয়ার আসে টার্ফের মাঠে। যদিও শুরুতে তাদের শঙ্কা ছিল, বাণিজ্যিকভাবে এই টার্ফের মাঠ আসলে কতটা সফল হবে। কিন্তু বাইরের দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোয় কিছুদিনের মধ্যে দূর হয়ে যায় তাদের সেই শঙ্কা।
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ২০১৮ সালের মাঝামাঝি একটি ফুটবল দল সর্বপ্রথম ‘এনডিসি স্পোর্টস ফ্যাসিলিটি’ নামে একটি কৃত্রিম মাঠ তৈরি করে। এটি শুধু তাদের নিজেদের খেলাধুলার জন্য তৈরি করা হয়। ঐ বছরের শেষের দিকে বসুন্ধরায় ১৬ কাঠা জমিতে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ‘জাফ এরিনা’ নামে আরেকটি কৃত্রিম মাঠ চালু করা হয়। এরপর এনডিসি স্পোর্টস ফ্যাসিলিটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাঠ ভাড়া দেওয়া শুরু করে।