প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন উষ্ণতা বৃদ্ধির মূল কারণ। এছাড়াও চলতি বছরের এল নিনো (এল নিনো হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি একটি জলবায়ুর ধরন, যার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য, সুপেয় পানি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে) প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাংশের উপরিতলের পানিকে ক্রমেই উষ্ণ করে তুলছে। এ উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে এক দিকে যেমন পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে, অপরদিকে মেরু অঞ্চলের বরফ গলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ন্যাশনাল স্নো এন্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, অ্যান্টার্কটিকার বরফাচ্ছাদিত অঞ্চলের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯১ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার বা ৭ লাখ ৩৭ হাজার বর্গমাইল যা ১৯৭৯ সালে রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বনিম্ন। গবেষণা আরো বলছে, এবছর অক্টোবরে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সালের তাপমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
.png)
ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার জলবায়ু বিজ্ঞানী মাইকেল মান বলেছেন, অন্যান্য এল নিনোর রেকর্ড ভেঙেছে এবারের এল নিনো। ফলে এ বছর অতিরিক্ত বৈশ্বিক উষ্ণতা জলবায়ু পরিবর্তনকে ধ্বংসাত্মক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর ঘটে যাওয়া ঝড়, বন্যা, অগ্নিকাণ্ডকে কোনভাবেই স্বাভাবিক বলা যাচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান কার্বন ডাই-অক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমিয়ে আনতে হবে এবং এখনি পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক স্থিতিশীল ও তাপমাত্রা কমাতে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।