কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, অভিযুক্তর আঘাতে ভুক্তভোগী জামাল ৫০ শতাংশ শারীরিক শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ফলে আসামিকে প্রাথমিকভাবে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। পরে আসামি খালাস চেয়ে আপিল আবেদন করলে আদালত শাস্তি কমিয়ে ৭ বছর করেন।
আপিল আবেদনে বিবাদীর আইনজীবী উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ। ‘অপর্যাপ্ত তদন্তের’ উদ্ধৃতি দিয়ে তার খালাসের পক্ষে যুক্তি দেন।
.png)
তিনি দাবি করেন, ভুক্তভোগী ঘটনাটি জানাতে বিলম্ব করেছেন। তাকে আঘাত করার আগেই পড়ে গিয়েছেন। বিবাদীর সাজা স্থগিত করারও অনুরোধ করেন ঐ আইনজীবী।
গত ২৬ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঐ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। জামাল উদ্দিনের নিয়োগকর্তার (কফিল) অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন তিনি। জামাল উদ্দিন ঐ কর্মকর্তার বাসায় পার্টটাইম কাজ করতেন।