শনিবার দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১০ জুন কেলান্তানের কুবাং কেরিয়ান এবং লেম্বা সিরেহ কোটা ভারুতে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ পথে অভিবাসী মানব পাচার সিন্ডিকেটের সদস্যদের আটক করা হয়।
.png)
বিশেষ অভিযানে দুইজন স্থানীয় পুরুষ এবং ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৩৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে (পাটি) আটক করা হয়। আটককৃত বিদেশিদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তাদের ১১ জন থাই, ৭ মিয়ানমার, ১২ বাংলাদেশি, ২ ভারতীয় এবং একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।
অভিবাসন মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিওিতে কেলান্টান স্টেট ইমিগ্রেশন বর্ডার ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সঙ্গে হেডকোয়াটার্সের ইন্টেলিজেন্স এবং স্পেশাল অপারেশন বিভাগের স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল টিমের (পাসটাক) ১৯ সদস্যর অপারেশন টিম সীমান্তে একটি অবৈধ ঘাঁটি দিয়ে পাচারকারিরা অভিবাসীদের দেশে প্রবেশ করার সময় তাদের আটক করা হয়।
এ সময় অপারেশন টিম একটি ট্রানজিট হাউসে অভিযান চালিয়ে চার বাংলাদেশিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এছাড়া একজন থাই মহিলা এবং দুই ভারতীয় পুরুষ যারা একটি ট্রান্সপোর্টার গাড়িতে পালানোর সময় আটক করা হয়।
অপারেশন টিম একটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পায়। যারা অবৈধ অভিবাসীকে লেম্বা সিরেহ এক্সপ্রেস বাস টার্মিনালে স্থানান্তর করার চেষ্টা করছিল।
তিনি বলেন, এরপরে টার্মিনালের চারপাশে অভিযান চালিয়ে ১৭ জন পুরুষ এবং সাতজন মহিলাসহ মোট ২৪ জন বিদেশিকে আটক করা হয়, যা তাদের পাচারকারিরা নির্ধারিত গন্তব্যে নিয়ে যেতে একটি বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল।
রুসলিন বলেন, অভিবাসন বিভাগ ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এবং অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড মাইগ্র্যান্ট স্মাগলিং অ্যাক্ট (এটিআইপিএসওএম) ২০০৭, অভিবাসী মানব পাচার চোরাচালান কার্যক্রম রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।