আলমগীর কাজি কুয়েতের জাহারা নামে একটি কোম্পানির মাইক্রোবাস চালক ছিলেন।
নিহতের সহকর্মী বেলাল হোসেন জানান, আলমগীর কাজি পরিবারের হাল ধরতে ২০০৫ সালে কুয়েতে আসেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। ২০১৯ সালে করোনার শুরুর আগে দেশে ছুটিতে গিয়ে বিয়ে করেন এবং তার তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে ছুটিতে বাংলাদেশ যাওয়ার কথা ছিল।
.png)
তিনি জানান, কাগজপত্র ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। বর্তমানে তার লাশ ফরওয়ানিয়া হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।