আনিকা বললেন, আমি রোজার মাসে মিডিয়ার কাজ করছিনা। স্কুল ও এনজিওতে সময় দিচ্ছি। আমরা প্রতি রমজানে ফান্ড সংগ্রহ করি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য। এবারও তাই করতে যাচ্ছি কিছুদিন পর। ঈদের দশ দিন আগে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। গেল পাঁচ বছর ধরে এ কাজটি করছি। সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পর ঈদ আনন্দময় হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি নারী দিবসে ‘উইম্যান্স ইন্সপিরেশনাল অ্যাওয়ার্ড – ২০২৪’ এ স্কুলের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আনিকা বলেন, আমি ১২ বছর ধরে ভলান্টিয়ার হিসেবে জনসেবামূলক কাজ করছি। এবারই প্রথম কেউ আমাকে সম্মাননা দিলো। যা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। নিজের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। আমি ঠিক কাজ করছি।
.png)
এদিকে কাজের চাপে আনিকা প্রতিদিন বাসায় ইফতার করতে পারেন না। সাদামাটা ইফতারে তার হয়ে যায়। সেহরিতেও থাকে না ভারী কোনও আয়োজন। তিনি বলেন, বাসায় বাইরে দুই জায়গায়ই ইফতার করতে হয়। নিজে রান্না করার সময় পাই না। ইফতারে হালিম পছন্দের খাবার। ভাজা – পোড়া কম খাওয়া হয়। আর সেহরিতে চিড়া – দই, খেজুর, অল্প ভাত থাকে আমার মেন্যুতে।
রমজান মাসে সবাই মিলে ইফতার করার সময়টুকু বেশ উপভোগ করেন আনিকা। সে প্রসঙ্গে বললেন, যখন বাসার সবাই মিলে ইফতার করতে বসি, মোনাজাত ধরি – সে মুহুর্তটা খুব ভালো লাগে। ইফতারের আগে তাড়াহুড়ো করে বাসায় ঢুকতে হয়। এই ব্যাপারটাও চমৎকার।
ঈদ পরিবারের সঙ্গে কাটাবেন আনিকা। চলে যাবেন ময়মনসিং। ঈদের পোশাকে থাকবে সাদা – হলুদ – নীল রঙের প্রাধান্য। পোশাক থাকবে ট্র্যাডিশনাল। সালোয়ার কামিজ।
ঈদ প্রসঙ্গে আনিকার ভাষ্য, ছোটবেলায় হাতে মেহেদী লাগাতাম। এখন সময় ও পরিস্থিতির জন্য মন চাইলেও লাগাতে পারি না। উৎসবের রঙ বদলে গেছে। ঈদে উপহার দিই। সে হিসেবে নিজে উপহার কম পাই।