হেমা মালিনী-এশা দেওল-অহনা দেওল
সত্তর ও আশি দশকের ‘ড্রিম গার্ল’ খ্যাত অভিনেত্রী হেমা মালিনী। বলিউডের সেরা নায়িকাদের একজন ছিলেন তিনি। এখনো নিজের সৌন্দর্য আর যোগ্যতায় তারকাখ্যাতি বহাল রেখেছেন। ১৯৮০ সালে বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করার পরে ১৯৮২ সালে এশা দেওল ও ১৯৮৪ সালে অহনা দেওলের মা হন তিনি। বড় মেয়ে এশা দেওল চলচ্চিত্রে আসেন। মাকে অনুকরণ করে রুপালি জগতে এলেও দর্শকদের প্রত্যাশার জায়গা পূরণ করতে পারেননি তিনি। ছোট মেয়ে অহনা দেওলও বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
শ্রীদেবী-জাহ্নবী কাপুর
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবী। অভিনয় করেছেন ৩০০ এর বেশি ছবিতে। ২০১৮ সালে মারা যান তিনি। প্রয়াত এ অভিনেত্রীর মতো তার মেয়ে জাহ্নবী কাপুরও অভিনয়ে আসেন। তার অভিনীত বেশকটি ছবি মুক্তি পেয়েছে এবং বলিউডে বেশ আলোচনায় আছেন জাহ্নবী।
.png)
জয়া বচ্চন-অভিষেক বচ্চন
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের একমাত্র ছেলে অভিষেক বচ্চন। মায়ের মতোই অভিনয় জগতে আসেন তিনি। কিন্তু মায়ের মতো সফলতা পাননি। তবে প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে ‘ধুম’ খ্যাত এ তারকার নাম। বলিউড মেগা স্টার অমিতাভ বচ্চন তার বাবা।
শর্মিলা ঠাকুর-সাইফ ও সোহা আলি
অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ১৯৬৯ সালে মনসুর আলীকে বিয়ে করলে তার ঘরে তিন সন্তান হয়। ১৯৭০ সালে সাইফ আলি খান, ১৯৭৬ সালে সাবা আলি খান ও ১৯৭৮ সালে সোহা আলি খান। মেয়ে সোহা আলি খান চলচ্চিত্রে তার অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ছেলে সাইফ আলি খান এখনো বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সেরা নায়কদের একজন।
ডিম্পল কাপাডিয়া-টুইঙ্কেল
সত্তর ও আশি দশকের জনপ্রিয় নায়িকা ডিম্পল কাপাডিয়া। ১৯৭৩ সালে বলিউড অভিনেতা রাজেশ খান্নাকে বিয়ে করেন ডিম্পল। ১৯৭৪ সালে টুইঙ্কেল খান্না ও ১৯৭৭ সালে রিঙ্কি খান্না নামে দুই সন্তান জন্ম দেন। দুই মেয়েকেই বলিউড ফিল্মে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন ছিল তার। বড় মেয়ে টুইঙ্কেল খান্না মায়ের স্বপ্নের পথ ধরে কিছুদূর এলেও অক্ষয় কুমারকে বিয়ে করে অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে যান। আর ছোট মেয়ে রিঙ্কি খান্না বলিউডে নাম লেখাতে না লেখাতেই হারিয়ে যান।
তনুজা-কাজল-তানিশা
বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা তনুজা। বর্তমানে কাজলের মা হিসেবেই দর্শক বেশি চেনেন তাকে। ১৯৭৩ সালে সমু মুখার্জিকে বিয়ে করেন তনুজা। এরপর ১৯৭৪ সালে কাজল ও ১৯৭৮ সালে তানিশার জন্ম হয়। বড় মেয়ে কাজল সৌন্দর্য ও যোগ্যতায় কোনো অংশে মায়ের চেয়ে পিছিয়ে নেই। স্বামী অজয় দেবগন ও দুই সন্তানকে নিয়ে পুরোপুরি সংসারী হয়ে গেলেও মাঝে মধ্যেই অভিনয়ে চমক দেখাচ্ছেন কাজল। অভিনয়ের মাধ্যমে মায়ের প্রকৃত সন্তান হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। অন্যদিকে ছোট মেয়ে তানিশা অনেকটাই ব্যর্থ।
নীতু-রণবীর
বলিউড অভিনেত্রী নীতু সিং বিয়ে করেন অভিনেতা ঋষি কাপুরকে। পরে মায়ের জনপ্রিয়তার পথেই হেঁটেছেন রণবীর কাপুর। তিনি ভক্তদের উপহার দিয়েছেন জনপ্রিয় অনেক ছবি। পেয়েছেন ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ডও।
অমৃতা সিং-সারা আলি খান
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অমৃতা সিং। ১৯৯১ সালে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে বিয়ে করেন অমৃতা। এরপর ১৯৯৩ সালে মেয়ে সারা আলি খান ও ২০০১ সালে ছেলে ইব্রাহিম খানের জন্ম হয়। অমৃতার মেয়ে সারা এখন মায়ের মতোই অভিনয় জগতে পা রেখেছেন এবং জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন।
ববিতা-কারিশমা-কারিনা
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা। সত্তর আশির দশকের সফল অভিনেত্রী তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি অভিনেতা রণধীর কাপুরকে বিয়ে করেন। তার ঘর আলো করে আসে কারিশমা কাপুর ও কারিনা কাপুর। দুজনই বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী। কারিশমা নব্বই দশকে রাজত্ব করেছেন, অন্যদিকে কারিনা কাপুর এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। অভিনেতা স্বামী সাইফ আলি খান ও ছেলে তৈমুর আলি খানকে নিয়ে ভালোই যাচ্ছে তার দিনকাল।