এবার রাজ রিপা নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন সিসিএলে হামলার ভিডিও। সেখানে রাজকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে দেখা গেছে। ব্যাট দিয়ে তেড়ে যাচ্ছেন তিনি। কয়েকজন মিলে তাকে আটকাতে পারছেন না। এরপরই রাজের পক্ষ নিয়ে কথা বলায় মৌসুমী হামিদকে দুমুখো সাপ বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।
রাজ রিপা বলেন, ‘ওইদিন যখন পানির বোতল ছুঁড়ে মারা হয় তখন তা মৌসুমী আপুর হাতে এসে লাগে। তখন আমি চেয়ার ছুঁড়ে মেরেছি। কিন্তু সেটা কারো গায়ে লাগেনি। সেসময় শরিফুল রাজ ব্যাট তুলে আমাদের দিকে তেড়ে আসছিলেন। চার-পাঁচজন তাকে ধরে রাখতে পারছিলেন না। ওই ভিডিওটাই আজ প্রকাশ করেছি আমি।’
.png)
এরপর মৌসুমী হামিদকে নিয়ে রাজ রিপা বলেন, ‘মৌসুমী হামিদ সিন্ডিকেটের একজন। যখন ওই ঘটনাগুলো ঘটছে তখন কেঁদে কেঁদে তাকে বলি, আপু দেখো ওরা কী করছে। তখন মৌসুমী আপু বলেন, সোনা তুমি চুপ করো, সবাই তোমদের বিপক্ষে। তোমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এ কথা বলে আমাকে পাশে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এদিকে মৌসুমী আপুর সঙ্গেও কিন্তু ওদের একচোট ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও মৌসুমী আপু ভোল পাল্টালেন! এটা আশা করিনি।’
এরপর মৌসুমীকে দুমুখো সাপ আখ্যা দিয়ে রিপা বলেন, ‘মৌসুমী হামিদ যে দু-মুখো সাপ তিনি ফেসবুকে পোস্ট না দিলে বুঝতাম না। অথচ তিনি তখন আমাকে বোঝাচ্ছিলেন তারা ইচ্ছা করে এসব করছে। আমাদের ফাঁসানোর জন্য। পরক্ষণেই ফেসবুকে লিখলেন, রাজ ফ্লোরে পানির বোতল ছুঁড়েছেন, কাউকে আক্রমণ করতে যাননি।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘মৌসুমী হামিদকে নিয়ে কথা বলার রুচি নাই আমার। কারণ তার জবানের ঠিক নেই। সেকারণেই তিনি পোস্ট দেওয়ার পর আমি কিছু বলিনি। তিনি নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে তাদের পক্ষ নিয়েছেন। এজন্যই ক্যারিয়ারে কিছুই করতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মোস্তফা কামাল রাজ ও দীপংকর দীপনের দলের মধ্যে খেলা চলাকালীন মাঠে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। মাঠের বাইরে থাকা দুইদলের সতীর্থদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এই উত্তাপ। এরপরই দুই পক্ষের শুরু হয় হাতাহাতি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গিয়ে দ্বিতীয় দফায় শুরু হয় মারামারি। এতে আহত হন ছয়জন। তারা হলেন- শিশির সরদার, রাজ রিপা, জয় চৌধুরী, আতিকুর রহমান, শেখ শুভ ও আশিক জাহিদ।