জানা গেছে, উৎসবস্থল তথা কলকাতার সুশীলদের সিনেমা দেখার জায়গা নন্দন থেকে রাজের ফোন ছিনতাই হয়েছে। এরপর হেস্টিংস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তার ফোন উদ্ধারের জন্য কলকাতা পুলিশ তথা লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ আদা-জল খেয়ে নেমে পড়েছে। নন্দন ও রবীন্দ্র সদন এলাকার প্রতিটি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমকে পুলিশ জানিয়েছে, গত শনিবার নন্দনে উপস্থিত হন বাংলাদেশের নামকরা অভিনেতা শরিফুল রাজ। কয়েক বছর ধরে তিনি বাংলাদেশের বহু বিখ্যাত ছবিতে অভিনয় করেছেন। তারই অভিনীত ছবি ‘পরাণ’ দেখানো হয় চলচ্চিত্র উৎসবে। ওই ছবি শেষ হওয়ার পর নন্দন চত্বরেই একটি সাংবাদ সম্মেলন হয়। এতে অংশ নেন দুই দেশের সাংবাদিকরাই।
.png)
সংবাদ সম্মেলনের পর রাজকে ঘিরে তার গুণমুগ্ধদের ভিড় সৃষ্টি হয়। এরপর অভিনেতা নন্দন চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ই সঙ্গে থাকা একটি মোবাইলে ফোন এসেছে কি না- তা দেখতে গিয়েই বুঝতে পারেন, পকেটে নেই আইফোন মোবাইল।
রাজ দেখেন, নিজের পকেটে কিংবা ঘনিষ্ঠদের কারও কাছেই মোবাইলটি রাখা নেই। উদগ্রীব হয়ে তাকে মোবাইলটি খুঁজতে দেখে নন্দনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা চলে আসেন। তিনি তাদের সবটা খুলে বলেন। সঙ্গে সঙ্গে হেস্টিংস থানার কর্মকর্তারা অভিনেতার সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পৌঁছায় লালবাজারের গোয়েন্দাদের কাছে। তাদের একটি টিমও হাজির হয় নন্দনে। মোবাইল চুরির তদন্ত শুরু হয়।
এদিকে চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের বিখ্যাত ছবিগুলো দেখতে নন্দনে জমে উঠেছে দুই দেশেরই মানুষের ভিড়। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার অভিনেতা ও পরিচালকদের সামনেও ভিড় করেন। কিন্তু ওই উৎসাহী দর্শকদের মধ্যে যে পকেটমার ভিড় করেছে, তা বুঝতে পারেননি কেউ।