এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর কথা জানা গেছে। এছাড়া হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ মৃত্যু হয়েছে থমাসের। তবে এ খবর ভক্তদের কাছে অজানা ছিল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গো ফাউন্ড মি’ নামক একটি পেজ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।
এ টিকটক তারকা কয়েক সপ্তাহ আগে ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে জানান, তার অপটিক নিউরাইটিস ধরা পড়েছে এবং এ জন্য চোখের অপটিক স্নায়ু ফুলে যায়। আর গত ৫ মার্চ থমাস লিখেছিলেন, কয়েক মাস আগে যখন অপটিক নিউরাইটিস ধরা পড়ে তখন বলা হয় আমার মাইগ্রেন মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত।
.png)
তিনি আরো বলেছিলেন, চিকিৎসকরা ভেবেছিলেন আমার এমএস ছিল, যা আপাতত সেরেছে। যদিও এখন আমার মানসিক চাপ আক্ষরিক অর্থেই মাইগ্রেন থেকেও দূরে সরিয়ে রাখে আমায়। এই কঠিন সময় আমার দু-সন্তানকে দেখাশোনা করার জন্য মা-বাবাকে ধন্যবাদ।
এ পোস্টের কিছুদিন পরই তার বন্ধু অ্যালিক্স রিস্ট ‘গো ফাউন্ড মি’ পেজে লেখেন, দুই ছেলে আইজ্যাক এবং এলিয়াহকে রেখে চলে গেলেন থমাস। তার মৃত্যু খুবই অপ্রত্যাশিত।
জানা যায়, মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছুদিন আগে অস্ত্রোপচারের কথা জানিয়েছিলেন থমাস। এরপর এক সপ্তাহ হাসপাতালে ছিলেন। তবুও কোনো সমাধান হয়নি। হাসপাতাল থেকে ফিরেই এ সমস্যা আরো বেড়ে যায়।
প্রসঙ্গত, টিকটক প্রোফাইলে ৭২ হাজার ফলোয়ার রয়েছে থমাসের।