হানিমুন থেকে ফিরেই পাল্টাপাল্টি মামলা, রহস্য কী?
গেল বছরের ৭ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক হিশাম চিশতীকে বিয়ে করেন বাংলাদেশের নায়িকা তমা মির্জা। কয়েক সপ্তাহ আগে তমা মির্জা ও তার কানাডাপ্রবাসী ব্যবসায়ী হিশাম চিশতী দুবাইয়ে হানিমুনও সেরে আসেন। সেখান থেকে আসার পরেই তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠে আর এরপরেই জানা যায় দু’জনই দু’জনের নামে পাল্টাপাল্টি মামলা করেছেন। কিন্তু এর পিছনে রহস্য কী?
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশে ফেরার পর থেকে তাদের সম্পর্কে অবনতি হয়। গত ৫ ডিসেম্বর রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। আর সেই কারণেই গত ৬ ডিসেম্বর রাজধানীর বাড্ডা থানায় ফৌজদারি মামলা করেন হিশাম চিশতি। মামলায় তমা মির্জা ছাড়াও তার পরিবারের কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার ধারা নং ৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/১০৯।
এরপরই তমা তার স্বামীর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় নারী নির্যাতন মামলা ও সাইবার অপরাধ আইনের আওতায় মামলা করেন। মামলায় একমাত্র আসামি স্বামী হিশাম চিশতী।
মামলার বিষয়ে তমা মির্জা গণমাধ্যমকে বলেন, যৌতুকের জন্য আমাকে নির্যাতন করত হিশাম। শুধু তাই নয়, আমাকে মারধরও করেছে একাধিকবার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন জনের কাছে আমার নামে আপত্তিকর কথা বলেছে হিশাম। বাধ্য হয়ে আমার নিরাপত্তার জন্য আমি আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।
এদিকে, তমা মির্জার মামলার পরই বাড্ডা থানায় মামলা করেছেন তার স্বামী হিশাম চিশতী। ৬ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলাটি করেছেন তিনি। এ মামলায় তমা মির্জাকে এক নম্বর আসামি, তার বাবা-মা, ভাইসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলা করার কয়েকদিন পরেই কানাডা চলে গেছেন হিশাম চিশতি।
হিশামের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর বাবা-মায়ের প্ররোচনায় হিশামের কাছ থেকে মোট ২০ লাখ টাকা ধার হিসেবে নেন তমা। গত ৫ ডিসেম্বর রাতে তমা মির্জার বাবার বাড্ডার বাসায় হিশাম ২০ লাখ টাকা চাইলে- বাসার সদস্যদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে বাড়ির সদস্যরা ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করে।