সোমবার দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. নাজিমুদ্দিন ভূইয়া। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান ফকির, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিউল বারী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহমুদুর হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক অধ্যাপক মঞ্জুরুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. মমিনুল হক ও সহকারী অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
.png)
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. নাজিমুদ্দিন ভূইয়া লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। বক্তব্যে বেশকিছু দাবি তুলে ধরা হয়।
দাবিসমূহ
১। সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিবদমান পক্ষসমূহের মধ্যে মতপার্থক্য দূরীকরণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ।
২। গত ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গী ময়দানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা।
৩। উক্ত ঘটনায় গ্রেফতারকৃত নিরপরাধ কারাবন্দীদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া।
৪। উভয়পক্ষকে তাদের সর্বোচ্চ মুরুব্বীদের নিয়ে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া।
৫। উভয়পক্ষকে কাকরাইল মসজিদে আমলের সময় বণ্টন সমান করা, অর্থাৎ এক মাস এক মাস করা।
৬। টঙ্গীর ইজতেমার মাঠ উভয়পক্ষকে সমানভাবে অর্থাৎ ছয় মাস ছয় মাস (জানুয়ারি-জুন; জুলাই- ডিসেম্বর) করে ভাগ করে দেওয়া।
৭। দেশের অন্যান্য মসজিদে আমলের সময় সময়বণ্টন অর্থাৎ ১৫ দিন করে করা।
৮। কোনো পক্ষ মসজিদে আমলের সময় অন্যপক্ষকে বাধা না দেয়, তা পর্যবেক্ষণ ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা।
৯। পূর্ব-ঘোষিত তারিখ (৭-৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) অনুযায়ী মাও. সাদ অনুসারীদের ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।