রোববার (৫ জানুয়ারি) নিজ অফিসের ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম খান। মৃতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
.png)
ঘটনা জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীমসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে অফিসের দরজার লক ভেঙে পুলিশ ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এ সময় তার গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত লাশ দেখা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সোহেলের মোবাইল, চিরকুট, মানিব্যাগ, জাতীয় পরিচয়পত্র (তার ও তার স্ত্রীর) সংগ্রহ করে।
তবে তদন্তের স্বার্থে চিরকুটের বিষয়ে কিছু জানানো যাবে না বলে জানিয়েছেন অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম খান।
ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনি কখন এসেছেন, তা কেউ দেখেননি। তবে ধারণা করা হচ্ছে সকাল ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে তিনি অফিসে আসেন। বিভাগের মৌসুমি শ্রমিক সুমন নামের একজন ঘটনাটি প্রথম দেখেছেন বলে জানা যায়। তিনি ৫ আগস্টের আগে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
জানা গেছে, মোস্তাইন কবির সোহেল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী একজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, তিনি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগে প্রবেশ করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তারা জানান, তার স্ত্রী এসে বলেছেন যে তিনি সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাজার করার জন্যে বের হয়েছিলেন। পরে তার স্ত্রীকে সবাই বাসায় পাঠিয়ে দেয়।