ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন হলেই শাহবাগ ছাড়বেন চিকিৎসকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:৫৬, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন হলেই শাহবাগ ছাড়বেন চিকিৎসকরা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগে বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি চলমান রয়েছে। ঐ কর্মসূচি থেকে জানানো হয়েছে, ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে তারা ঘরে ফিরবেন না। 

রোববার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ১টায় শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা। 

আন্দোলনরত একাধিক চিকিৎসকের ভাষ্য, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে আন্দোলন করে আসছি। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন করলে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে। যেহেতু এখন একটা বিপ্লবী সরকার ক্ষমতায় আছে, আমরা আশা করব কোনো ধরনের সময়ক্ষেপণ না করে আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়া হবে। আজ প্রজ্ঞাপন ছাড়া আমরা কেউ ঘরে ফিরে যাব না।

Advertisement

চিকিৎসকরা বলেন, বর্তমানে আমরা যে ভাতা পাই তা দিয়ে চলা খুব কঠিন। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আমাদের পর্যায়ে যেসব ডাক্তাররা রয়েছে তারা এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমরা কেবল ৫০ হাজার টাকা দাবি করছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে আমাদের দাবি যৌক্তিক কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয়ে আমাদের ফাইল আটকে আছে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই অবরোধ চালিয়ে যাব।

তারা বলেন, আমরা এর আগেও আন্দোলন করেছি, তখন আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাস্তবায়ন করা হয়নি। যে ভাতা পাই তাতে কোনোভাবেই চলা সম্ভব না। তাও আবার ছয় মাস অন্তর অন্তর আমাদের ভাতা দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাইরে কোনো মেডিকেলে আমাদেরকে চেম্বার করতে দেওয়া হয় না। যার ফলে আমরা একেবারে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

এ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. জাবির হোসেন বলেন, সরকার যদি আমাদের সঙ্গে বসতে চায় তাহলে সেই দরজা খোলা। আর যদি বসতে না চায় তাহলে সমাধান হবে রাস্তায়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর বলেন, আজ দুপুর দেড়টার দিকে চিকিৎসকরা শাহবাগ মোড় বন্ধ করে অবস্থান নিয়েছেন। আমরা কথা বলে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। চিকিৎসদের এই অবস্থানের কারণে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই পয়েন্টে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!