ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]
ঢাবিতে সমাবেশ

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন চান ৩৫ প্রত্যাশীরা

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২০, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন চান ৩৫ প্রত্যাশীরা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ক্ষেত্রবিশেষে (শিক্ষা, জুডিশিয়ারি, চিকিৎসা, আইসিটি, গবেষণা) উন্মুক্ত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমাবেশ করেছে ৩৫ প্রত্যাশীরা।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ঢাবির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ন্যূনতম ৩২ ও ক্ষেত্রবিশেষে উন্মুক্ত বয়সসীমা প্রত্যাশী শিক্ষার্থী পরিষদের ব্যানারে ঐ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ অংশ নেয়া ৩৫ প্রত্যাশীরা বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমরা সরকারি চাকরিতে ৩৫ দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের দাবি না মেনে ৩৫ না করে উলটো ৩২ করা হয়েছে। এই বয়সসীমা ৩২ তো অনেক আগেই ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত সুযোগ রয়েছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের। পাকিস্তান আর বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে চাকরির বয়সসীমা ৩০ নেই। বেশ কিছুদিন আগে আমাদের দাবির মুখে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরীর সুপারিশ কমিশন গঠন করা হয়। সেখানে পুরুষের ৩৫ এবং নারীর ৩৭ বয়সসীমা সুপারিশ করা হয়। কিন্তু সেই সুপারিশ না আমলে বয়ঃসীমা ৩২ করা হয়েছে। জানি না, কাদের পরামর্শে বয়সসীমা ৩২ করা হলো! আমরা চাই, অবিলম্বে যেন চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করা হয়।

Advertisement

এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঐ সমাবেশ চলছিল।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। তাদের দাবির মুখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এ কমিটির প্রধান সাবেক সচিব আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী। তিনি জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনেরও প্রধান।

গত ১৪ অক্টোবর সচিবালয়ে আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তারা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা পুরুষের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৩৭ বছর করার সুপারিশ করেছেন। তবে চূড়ান্ত বিচারে চাকরিতে প্রবেশের বয়স কত হবে তা নির্ভর করবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। গত ২৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। ঐদিনই সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন ৩৫ প্রত্যাশী আন্দোলনকারীরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!