ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

সোহরাওয়ার্দী ও মাহবুবুর রহমান কলেজের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০০:২৪, ২৫ নভেম্বর ২০২৪
সোহরাওয়ার্দী ও মাহবুবুর রহমান কলেজের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৪
দুই কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ- সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর সরকারী শহিদ সোহরাওয়ার্দী ও  ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত তাদের এ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলতে থাকে। এ সময় ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করে। 

ইটের আঘাতে দুই কলেজের চারশিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হলেন- মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের ফাহাদ, আশিক, সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের নাম জানা যায়নি। এ সময় কলেজের সামনে থাকা একটি ট্রাক ভাঙচুর করা হয়।

Advertisement

রাত পৌনে ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়ে ৩ রাউন্ড টিয়ারসেল ও জলকামান  নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের কলেজর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অভিজিৎ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে অভিজিৎ ১৮ নভেম্বর মারা যায়। পরে ঐ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করতে চেয়েছে।

এ খবর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীরা জানতে পেরে ২০ নভেম্বর বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ  করে। 

এ সময় হাসপাতালের লোকজন ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীদের আহত করে। এ ঘটনায় মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্ধ হয়। 

শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, রোববার কলেজে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। এ সময় দুপুরে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী আকস্মিক আমাদের কলেজে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং পরীক্ষার্থীদের মারধর করে পরীক্ষার খাতা ছিড়ে ফেলে। এতে প্রায় ৩৫ শিক্ষার্থী আহত হয়। এ ঘটনা সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। এতে ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা রোববার মাহবুবুর কলেজে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পুলিশের বাঁধায় কলেজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারিনি। পুলিশের বাধার মুখে শিক্ষার্থীরা চলে যায়।

বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!