পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরা হলেন- অভিষেক দত্ত তামল, বাপ্পী পাল (শিল্পী শওকাতুজ্জামান স্মৃতি পুরস্কার), অনামিকা পাল (শিল্পী আমিনুল ইসলাম 'স্মৃতি পুরস্কার), মোছা. মিসকাতুল জান্নাত (শিল্পী রশিদ চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার), মোছা, নাজিফা ইয়াসমিন (শিল্পী শফিকুল আমিন স্মৃতি পুরস্কার), তাসমিয়া নওসাবা বরকতুল্লাহ (বিশেষ নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার), প্রগতি চাকমা (স্নাতক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যম পুরস্কার) এবং নিশাত তাসনিম মিথিলা (নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পুরস্কারপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিল্পের একটি শাশ্বত ভাষা রয়েছে। এই শৈল্পিক ভাষা ও শিল্পকর্মের মাধ্যমে শিল্পীরা মানুষের মনে স্থান করে নেন। শিল্পের সঙ্গে মনের যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজেকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে খুঁজে পায়। প্রাচ্যকলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকজ জ্ঞানের সঙ্গে এই শিল্পের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তরুণ শিল্পীদের উৎসাহ প্রদান এবং দেশের শিল্প জগতের প্রসারে এই প্রদর্শনী সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
.png)
এসময় প্রাচ্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার অধিকারীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, ইমেরিটাস অধ্যাপক মু. আবুল হাশেম খান, অনারারি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার এবং শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল আযীয প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।