দিবসটি উপলক্ষে ২২ নভেম্বর শুক্রবার প্রাথমিক কর্মসূচি হিসেবে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছুটির দিন হওয়ায় ও উপাচার্য না থাকায় দিবসটি পিছিয়ে মূল কর্মসূচি ২৫ নভেম্বর (সোমবার) পালন করা হবে।
ঐদিন সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হবে। শান্তির প্রতীক পায়রা, বেলুন উড্ডয়ন ও কেক-কেটে দিবসটির উদ্বোধন করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিভাগগুলো কর্তৃক আয়োজিত শিক্ষা ও গবেষণা প্রদর্শনী উদ্বোধন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর চেতনাকে আলোকপাত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী আলোকসজ্জা, ক্যাম্পাসের সড়কসমূহে জুলাই-আগস্ট’ ২০২৪-এর চেতনা ধারণ করে আলপনা অঙ্কন ও রঙিন পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হবে।
.png)
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষা ও গবেষণাকর্ম প্রদর্শনের প্রস্ততি গ্রহণ করছে বিভাগগুলো। প্রতিষ্ঠার এতো বছর পর এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন ৪৫ বছরের সব শিক্ষা ও গবেষণাকর্ম প্রদর্শনের এক যুগান্তকারী হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান জানান, ‘বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্তৃক স্বাস্থ্যসম্পর্কিত, বিভিন্ন ডিজিজ ও এর নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, খাবার সিকিউরড করার পদ্ধতি, পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে আমাদের বিভিন্ন গবেষণাকর্ম রয়েছে। আমরা এ গবেষণাগুলো প্রদর্শন করব, যা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এরকম আয়োজনের মাধ্যমে বিভাগকে তুলে ধরার এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।’