সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী জানান, বাংলাদেশের পক্ষে একজন ইউথ নেগোশিয়েটর হিসেবে কপ ২৯ এ অংশগ্রহণ আমাকে অনেক উৎসাহিত করেছে। আগে থেকে বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপে যুক্ত থাকতে পারলে আরো বেশি কন্ট্রিবিউট করার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি G77, LDC গ্রুপ সহ প্লানারিতে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি COP29 পরিচালিত বিভিন্ন সাইড ইভেন্টে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে যেখানে আমার জলবায়ু পরিবর্তনে কৃষির ওপর প্রভাব, জেলেদের দুর্ভোগ ও তরুণদের সম্ভাবনার কথা বলব।
এবারের কপ-২৯ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণত এই নেগোসিয়েশনটা মূলত Global North এর কাছে Global South এর দাবি। কারণ গ্লোবাল নর্থ কয়লা পুড়িয়ে তাদের অর্থনীতি উন্নত করতে গিয়ে পৃথিবীকে উষ্ণ করেছে, যার ফলশ্রুতিতে গ্লোবাল নর্থের দেশ তথা উপকূলীয় দেশগুলো আরো বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এইটা নর্থের দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়, প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী তাদের এই দায় অনুযায়ী অর্থায়ন বাড়াতে হবে এটাই মূলত আমাদের দাবি। এবং এবারের দাবি প্রতি বছর জলবায়ু অর্থায়ন ৫ ট্রিলিয়ন। সরকারি ব্যাচ থাকায় G77 and LDC ভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরার অনন্য সুযোগ করে দেওয়াতে সরকারকেও ধন্যবাদ।
.png)
একজন ইউথ নেগোশিয়েটর হিসেবে Global Alliance for Improved Nutition (GAIN) এর অর্থায়নে সরকারি ভাবে তিনি কপ-২৯ সম্মেলনে যোগদান করেন। এছাড়াও তিনি G-77 সহ LDC ভিত্তিক বিভিন্ন আঞ্চলিক আলোচনা সভায় একজন ইউথ নেগোশিয়েটর হিসেবে অংশগ্রহণ করে।