অন্য দুটি দাবি হচ্ছে- মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি কোটা বাতিল করতে হবে, সন্তান কোটা থাকলেও তা সর্বোচ্চ ১% করতে হবে এবং ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি কমাতে হবে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের শিকার হয়েছি, যার মধ্যে অন্যতম অযৌক্তিক কোটা পদ্ধতি। এই কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে বিগত জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস রচিত হয়েছে। তাই আমরা আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীন ক্যাম্পাসে আর কোনো প্রকার অযৌক্তিক কোটা পদ্ধতি দেখতে চাই না।
.png)
সেখানে আরো বলা হয়, বিগত ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ৫৩৪ জন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ৫৩৭ জন এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৬২১ জন শিক্ষার্থী কোটার মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে, যার একটি বড় অংশ অযৌক্তিক পোষ্য কোটা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি কোটা। আমরা এই দুইটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কোটা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানাই। পাশাপাশি, গত কয়েক বছর ধরে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ফি কমানোও সময়ের দাবি। আমরা আশাবাদী, আমাদের ছাত্রবান্ধব প্রশাসন এই যৌক্তিক দাবিগুলো ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর করবেন।