মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আইডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয় সারজিস আলম বলেন, প্রথমত যারা ভুয়া সমন্বয় পরিচয় অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে, তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় এনে শাস্তি পারি। এরপরেও আমাদের ভেতরেও যারা অসৎ উদ্দেশ্যে রয়েছে, যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঐ স্পিডটিকে ধারণ করে না, তাহলে যেন তাদেরকে বহিষ্কার করে যেন আইনের আওতায় আনতে পারি। এজন্য আমাদের স্ট্রাকচারটি প্রয়োজন।
.png)
তিনি বলেন, আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের লড়াই এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের যে স্পিড সেটিকে ধরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই কেননা সামনের দিনের যুদ্ধটি আরো বেশি কঠিন হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের এই আন্দোলনটি নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছিল না। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এটা অংশ নিয়েছিল। সেই সঙ্গে এটি জনতার আন্দোলন ছিল। সরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মাদরাসার বিভিন্ন ভাই-বোন এই আন্দোলনের জীবন দিয়েছেন। এখন সেইসব নিবেদিত প্রাণগুলোকে খুঁজে এনে যারা কিনা এ অভ্যুত্থানকে সফল করতে সহায়তা করেছে, তাদেরকে নিয়ে এটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে বলা হয়েছে।