বৃহস্পতিবার এই তিন শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ।
এর আগে, এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানউল্লাহ। মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়। একই সঙ্গে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
.png)
বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার ও গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেছিলেন, এখানে হল প্রশাসনের অবহেলা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হলের প্রভোস্ট রাতে ঘটনাস্থলেই যাননি, হাউজ টিউটররা ছিলেন। পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার রাতে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে শিক্ষার্থীরা। পরে রাত ১০টা পর্যন্ত হলের গেস্টরুমে কয়েকদফা তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে ক্যান্টিনে বসিয়ে তাকে খাবারও খাওয়ায় শিক্ষার্থীরা। এরপর আবারও মারধর করা হয়। ঐ সময় মারধরে অসুস্থ হয়ে পড়লে মধ্যরাতে তোফাজ্জলকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।