মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে মূল ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘ভিসি নিয়ে নয়- ছয় আর নয় আর নয়’, ‘ঢাবি রাবি ভিসি পেল, চবি কেন পিছিয়ে গেল’, ‘আর নয় বিজ্ঞাপন, দিতে হবে প্রজ্ঞাপন’, ‘ঢাবি রাবি স্বর্গে, চবি কেন মর্গে’, ‘শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য, ভিসি হবে দক্ষ’, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
.png)
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শ্রাবন বলেন, বাংলাদেশের অন্যসব স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হলেও আমরা এখনো ভিসি পায়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ অতিসত্বর ভিসি নিয়োগ দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম চালু করার। আমরা শিক্ষার্থী, আমাদের জায়গা হচ্ছে পড়ার টেবিলে। আমাদের পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে নিন।
মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী বলেন, গত বৃহস্পতিবার ভিসি নিয়োগের একটি গুঞ্জন শুনা যায়। রোববার ভিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আসেনি। আমাদের সঙ্গে এই প্রজ্ঞাপন, প্রজ্ঞাপন খেলা বন্ধ করুন। ভিসি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলবে।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, যদি আজকের (১৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি, প্রো-ভিসি নিয়োগ না দেওয়া হয় তাহলে আগামীকাল বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু তাহেরসহ প্রক্টরিয়াল বডি, সব হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে ১ মাসের উপরে উপাচার্যহীন রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ফলে ব্যহত হচ্ছে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এজন্য দ্রুত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে গত ৮ সেপ্টেম্বর (রোববার) থেকে ৫ম দিনের মতো টানা আন্দোলন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।