ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

ড. ইকবালসহ দুর্নীতিবাজদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ

যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩৯, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
ড. ইকবালসহ দুর্নীতিবাজদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) এর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনকে দুর্নীতিতে সহযোগিতা করার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ, উপাচার্যের সাবেক একান্ত সচিবসহ অন্য সব দুর্নীতিবাজদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। সে সময় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

বিক্ষোভে এইচ এম মারুফ বলেন, স্বৈরাচারী ভিসির দুর্নীতিতে সাহায্যকারী, উপাচার্যের ডান হাত নামে পরিচিত ইকবাল কবির জাহিদকে আমরা ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু তিনি মনে হয় অবাঞ্ছিত ঘোষণার অর্থ জানেন না। তিনি আবার ক্যাম্পাসে এসে শোডাউন দিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং এখানে কিছু শিক্ষক তাকে সাহায্য করছে। আমরা সেসব শিক্ষকদের ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছি। 

Advertisement

এ সময় অবাঞ্ছিত শিক্ষক ড. ইকবাল কবির জাহিদকে পুনরায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বলেন, আজকের পর থেকে ড. ইকবাল কবির জাহিদ যদি ক্যাম্পাসে আবারো তার স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু করতে চায় তাহলে তার সঙ্গে যদি কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তার কোনো দায়ভার নিবে না। 

বক্তারা আরো বলেন, দুর্নীতিবাজ ইকবাল কবির জাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনার কথা বলে বিভিন্ন সময় অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন আমরা তাকে জিনোম সেন্টার পদত্যাগ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া ভিসির সাবেক একান্ত সচিব আব্দুর রশিদ অর্ণব, ইঞ্জিনিয়ার নাজমুস সাকিব, মিজান, হেলালুল ইসলামসহ যেসব দুর্নীতিবাজদের নামে দুদকের মামলা চলমান তাদেরকে আমরা ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না। 

এ বিষয়ে ড. ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে তার প্রমাণ নেই। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। নির্দিষ্টভাবে দুইজনকেই কেন অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে? কোনো একটি নির্দিষ্ট কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারপরেও তাদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং দেশের প্রচলিত আইন আছে তার মাধ্যমে বিচার হবে। 

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ ছাত্র আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন পদ থেকে পদত্যাগ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক পদে রয়েছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: যবিপ্রবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!