সরজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগীয় ব্যক্তিবর্গ, সব ক্রিয়াশীল সংগঠন ও বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্যাম্পাসের বাসে করে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে বন্যাকবলিত এলাকায়। এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ত্রাণ প্যাকেটিং করে ক্যাম্পাসের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বর্তমানে নোবিপ্রবির অডিটোরিয়ামে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে ৩০০ বানভাসি মানুষ। এদের চিকিৎসা এবং পানিতে আটকে পড়া গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ রোগীদের উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছে নোবিপ্রবির অ্যাম্বুলেন্স।
পরিবহণ দফতরের এমন সহযোগিতাকে প্রশংসা করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘পরিবহন দফতরের এমন সহযোগিতার কারণে বন্যার্তদের সাহায্য করতে আমাদের সুবিধা হচ্ছে। বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোয় বড় অবদান রাখছে নোবিপ্রবির বাস এবং পরিবহণ পুল। বাস দিতে কোনো জটিলতা করছে না দফতরটি। বিশেষ করে পরিবহন দফতর, ড্রাইভার এবং হেল্পার মামারা আমাদের ডাকে সারা দিচ্ছেন। নির্দিষ্ট এলাকায় ত্রাণ নেওয়ার পর যতক্ষণ না পর্যন্ত কাজ শেষ হচ্ছে ততক্ষণই তারা সাহায্য করে যাচ্ছেন। অনেক সময় তারাই আমাদের সাহস যুগিয়েছেন।'
.png)
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন প্রশাসক ড. কাউসার বলেন,' নোবিপ্রবি এই অঞ্চলের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেই দিক বিবেচনায় আমাদেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। তাই যেকোনো সময় পরিবহন সুবিধা দিতে পারছি। আমাদের ছাত্র-শিক্ষক সারাক্ষণ বন্যার্তদের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ত্রাণের জন্য সংগৃহীত টাকা দিয়েই পরিবহনের খরচ বহন করতে হয়। তাই খরচ বাঁচানোর পাশাপাশি যাতে বেশি সংখ্যক বন্যার্তদের সহযোগিতা করতে পারে তাই আমাদের এই সামান্য প্রয়াস।'