রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের পর প্রথমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।
ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ কর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে তিনি হল থেকে খাবার খেতে ক্যাম্পাস গেটে যান। এ সময় একজন ছেলে এসে তাকে ফরিদা টাওয়ারের দিকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর ঐ ছেলের সঙ্গে আরো তিনজন ছেলে যোগ দেন। পরে তার হাতে এবং পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়।
.png)
ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রলীগ কর্মী বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগ করতাম, তা ঠিক। কিন্তু কারো সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব ছিল না। এরপরেও কেন আমাকে ছুরিকাঘাত করা হলো, বলতে পারছি না। ছাত্রলীগ করার কারণে এটা হয়েছে কিনা সেটাও বলতে পারছি না।'
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাসুদ রানা বলেন, ‘সকালে আমাদের একজন শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে শুনেছি। পরে আমি ওকে দেখতে যাই। ওকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করানো হয়, পরে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করলে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ছিল, আমরা খুঁজে বের করতে চেষ্টা করব।'