শিক্ষার্থীরা বলছে, যে পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হলো, সেগুলোর জন্য ফের নতুন করে প্রস্তুতি নিতে হবে। এতে পড়ালেখার গতি কমে যাবে। পরবর্তীতে সেশন জটে পড়ার শঙ্কাও রয়েছে।
এদিকে, বারবার সময়সূচি পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরাও। তারা বলছেন, পরীক্ষা পেছানোয় আমরা তাদের পড়ার টেবিলে আর নিয়মিত হতে দেখছি না। আমরা বলার পরও তারা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারছে না।
.png)
অন্যদিকে শিক্ষকরা বলছেন, যেকোনো পরীক্ষার শিডিউল ঘোষণার পরই পরীক্ষার্থীদের ওপর একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি হয়। যা পরীক্ষার্থীরা সহনশীলভাবে নিয়ে পড়াশোনায় নিয়মিত হয়। বারবার পরীক্ষা পেছানোর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পরীক্ষার্থীদের ফলাফলের ওপর।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। তবে সিলেটে বন্যার কারণে পরীক্ষা শুরু হয় ৯ দিন পর। সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১১ আগস্টের পর নেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।