লাপাতা লেডিস সিনেমার স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, মূলত এই সিনেমাটির চিত্রনাট্য বা গল্প আমার লিখা। ভারতে সবচেয়ে বড় স্ক্রিপ্ট কনটেস্টে চার হাজার স্ক্রিপ্ট এর মধ্যে আমার এটি দ্বিতীয় হয়েছিল। আমি আপনাদের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত যে, এই ধারার সিনেমা আপনারা উপভোগ করেছেন। প্রথমে চেয়েছিলাম, সিনেমাটি নিজেই পরিচালনা করব। কিন্তু, স্ক্রিপ্টটা তাদের অনেক পছন্দ হওয়ায়, তারা পরিচালনা করতে চায়। পরে আমার আর এটি পরিচালনা করা হয়নি।
৫ জুলাই (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ উৎসব শুরু হয়। এবং ৬ জুলাই রাতে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়৷
.png)
দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই নাট্য উৎসবের প্রথমদিনে উপস্থাপিত হয় ভারতের কোলকাতার নাট্য সংগঠন মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টারের পরিবেশনায় মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের লেখা নাটক ‘যুযুধান’। যেটির নির্দেশনায় ছিলেন জীবন অধিকারী। এছাড়া ধীরাজ হাওলাদারের নির্দেশনায় ‘একটি গাছ একটি প্রাণ ও দেখা’ নামক দুটি মূকাভিনয় পরিবেশিত হয়।
দ্বিতীয় দিনে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নাটক ‘মাল্যদান’ উপস্থাপিত হয়। যেটির নির্দেশনায় ছিলেন ইশতিয়াক আহমেদ ও গুলশান পারভীন সুইটি।
অনুষ্ঠানে বিপ্লব গোস্বামী আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেকেই আমাকে ফেসবুকে কিংবা ইনস্টাগ্রামে খুঁজে বের করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আমাকে ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এতো এতো ভালোবাসা পেয়েছি যে আমি সত্যি আনন্দিত।
তিনি বলেন, ছোটবেলায় বইয়ে পড়তাম- কুমিল্লা শিল্পের শহর, সংস্কৃতির শহর, শিক্ষার শহর। এই কুমিল্লারই এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারা আমার জন্য আনন্দের। এটি একটি নাট্য উৎসব। নাটকের সাথে আমারো ছোট থেকেই সম্পর্ক ছিল, এখনো আছে। আমি কলকাতা সত্যজিৎ রায়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটটে পড়ালেখা করেছি। তার আগে নাট্যচর্চা করতাম যাতে সিনেমাটা ভালোভাবে বুঝতে পারি। আমার খুব কৌতূহল হয়েছিলো আজকে এখানে উপস্থাপনাটা কিরকম হবে। কারণ ছোট গল্প হলেও তার একটা বলিয়ম আছে৷ এটা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি৷ সব মিলিয়ে দারুণ হয়েছে।
নাট্য পরিবেশনা শেষে থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় এবং পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।