কর্তৃপক্ষ বলছে, সৌরবিদ্যুতের এ প্রকল্প থেকে দিনে গড়ে ৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব, যা ক্যাম্পাসের দৈনিক বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ করবে।
জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর এই প্রকল্পটি শুরু হয়। এরই মধ্যে ২ দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, যা থেকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক এবং পরিবেশগত সুবিধাও আসছে।
.png)
বিআরএসপির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বুয়েট কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী ২৫ বছরে বুয়েটের ১২ কোটি টাকা সাশ্রয় করা। ২৫ বছরে সম্পূর্ণ মালিকানা নিয়ে বুয়েট নিজস্ব জনবল দিয়ে প্রকল্পটি পরিচালনা করলে সাশ্রয় হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৫ কোটি টাকা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে তিন সহযোগী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, যেগুলো হল- পিএসএল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড গ্রিন এনার্জি লিমিটেড, জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ও প্যাসিফিক সোলার অ্যান্ড রিনিওয়াবল এনার্জি লিমিটেড।
প্রকল্পের বিষয়ে বুয়েটের উপাচার্য সত্যপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘বুয়েট সব সময় প্রযুক্তি খাতে অগ্রগামী। আশা করি, কয়েক বছর পর সব ছাদে সোলার প্যানেল ব্যবহার হবে। এটি খুবই লাভজনক, টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব।”
বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল জব্বার খান সৌরবিদ্যুতের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ ব্যবহারের সুবিধার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ছাদগুলো কখনো ব্যবহার করা হয়নি। প্রতিষ্ঠান এবং আবাসনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যবহারের কারণে আমাদের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল হয়, তা বিশাল। ফলে এটি বিদ্যুতের খরচ কমাতে এবং ছাদ ব্যবহারের জন্য দুর্দান্ত উদ্যোগ হতে পারে।’