বুধবার (৫ জুন) যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হয় শনিবার (৮ জুন)।
অফিস আদেশে বলা হয় ১) অধিকতর তদন্ত চলাকালীন আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না; ২) যাদের বর্তমানে যবিপ্রবির ছাত্রত্ব আছে কেবল তারাই ক্যাম্পাসে এসে চলমান ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং ৩) যেসব শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত/ছাত্রত্ব নাই তারা কোন অবস্থাতেই ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না।
.png)
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ আদেশ অমান্য করে কোন শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করলে অথবা যাদের ছাত্রত্ব রয়েছে তারা ক্লাস ও পরীক্ষা ব্যতীত ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করলে তাকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে।
৬ শিক্ষার্থী হলেন, ফিনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মো. বেলাল হোসেন (রোল: ২১২০২৩), পিইএসএস বিভাগের নৃপেন্দ্র নাথ রায় (রোল: ১৮১২০৫), ফার্মেসি বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী জিএম রাইসুল হক রানা (২২১০০১), পিইএসএস বিভাগের মুশফিকুর রহমান (১৯১২২০), ফাহিম ফয়সাল লাবীব (১৮১২০৮) ও মো. আবু বক্কার (২০১২১৯)।
এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, শৃঙ্খলা কমিটি আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করলেও রিজেন্ট বোর্ডের সভায় অধিকতর তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে তাদের কেউ আরোপিত শর্ত ভঙ্গ করলে এটি আর অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন হবে না, সরাসরি পরবর্তী রিজেন্ট বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর যবিপ্রবিতে লিফট অপারেটর পদে চাকরি প্রার্থী অপহরণ ও হার্ডডিক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাও দায়ের করেন ভুক্তভোগী এক চাকরি প্রার্থী।