ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

প্রশংসিত শেকৃবির ‘সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান’

শাহেদ মাহমুদ, শেকৃবি
প্রকাশিত: ১৫:৫৮, ৬ জুন ২০২৪
প্রশংসিত শেকৃবির ‘সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান’
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পরিচ্ছন্ন করেছেন রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শেকৃবি) এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। শেকৃবি শিক্ষার্থীদের এমন কাজ প্রশংসিত হয়েছে নানা অঙ্গনে। দেশের একাধিক গুণিজন এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। সেসব পোস্টে কমেন্ট করে অনেকেই শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

গতকাল বুধবার দুপুর দেড়টায় কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে অনুষদের শিক্ষার্থীরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। 

জানা যায়, এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ১০ দিন শিক্ষাসফরের অংশ হিসেবে ৫ জুন অবস্থান করেন কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। এ সময় সমুদ্রসৈকত ও এর আশেপাশের স্থানে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন ইত্যাদি কুড়িয়ে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা। এতে অংশ নেন প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন সৈকত পর্যটন পুলিশ।

Advertisement

শিক্ষার্থীদের এমন কার্যক্রমকে স্বাগত জানান উপস্থিত পর্যটকরা। তারা বলেন, এরকম একটি সুন্দর ও মনোরম জায়গায় কিছু মানুষ যত্রতত্র ময়লা ফেলে নোংরা করে, যেখানে সেখানে পলিথিন ও পানির বোতল ফেলে। সচেতন মানুষের আচরণ কখনোই এমন হওয়া উচিত নয়। 

সৈকত পাড়ের ফল বিক্রেতা আন্দুল মজিদ বলেন, এখানে যারা ঘুরতে আসেন তারা সবাই শিক্ষিত না। তাই তাদের অনেকেই বিভিন্ন ময়লা, প্লাস্টিক, পলিথিন এখানে ফেলে যায়। তাদের জন্যই জায়গাটির সৌন্দর্য নষ্ট হয়। 

সুগন্ধা সৈকত পয়েন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এএসআই নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন আয়োজনকে অবশ্যই আমরা স্বাগতম জানাই। বিচে পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাস্টবিন দেওয়া আছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও নিয়মিত পরিষ্কার করছেন। কিন্তু অসচেতন কিছু মানুষের জন্য জায়গাটা নোংরা হয়ে থাকে৷ এটা কোনোভাবেই আমাদের কাম্য নয়। 

শিক্ষার্থীদের দলটির গাইড হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ ও অধ্যাপক ড. শাহ জহির রায়হান। শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন ইতিবাচক উদ্যোগই আশা জাগানিয়া। পরিবেশ দিবস উপলক্ষে তারা যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে তা সাধারণ মানুষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। যত্রতত্র ময়লা ফেলে পরিবেশ দূষণ করার প্রবণতা কমিয়ে আনতে তরুণদের এ ধরনের উদ্যোগ খুবই দরকারি। সবাইকে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসা উচিত। 

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দেশব্যাপী পালিত হয় দিবসটি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: শেকৃবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!