গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১০ মে ভর্তি পরীক্ষার অংশ হিসেবে উপাচার্য ১৫ হাজার টাকা ও কোষাধ্যক্ষ ১২ হাজার টাকা নিয়েছেন। তবে তাদের কেউই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেননি। তবে জানা গেছে তারা উপাচার্যের বাংলোতে অবস্থান করছিলেন।
এ বিষয়ে অর্থ দফতরের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, স্যার বাংলোতে ছিলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি।
ভিসি আর ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে টাকা নিতে পারে কিনা জানতে চাইলে অর্থ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, আমি যতটুকু জানি ভিসি বাংলো ক্যাম্পাসের অন্তর্ভুক্ত। তবে আমি অর্থ কমিটির দায়িত্বে ছিলাম। কিন্তু অর্থ বণ্টন করে অর্থ দফতর। এতগুলো মানুষের টাকা এক ঘণ্টার মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব না বিধায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে বণ্টন করা হয়।
সি ইউনিটের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আহসান উল্ল্যাহ বলেন, ভিসি আর ট্রেজারার বাংলোতে ছিল। তবে উপ-উপাচার্য আমার সঙ্গে সার্বক্ষণিক ছিলেন। তিনি আমার সঙ্গে বিভিন্ন দপ্তফতরে গিয়েছিল। তারা ক্যাম্পাসে কেন আসেননি সেটা আমি জানি না। এখন মনে করেন ওনারা টপ লেভেলের। আমি তো আর বলতে পারব না। ওনাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের তারা নির্দেশ দেয় সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করি। এখন তারা ক্যাম্পাসে আসছে কিনা সেটা তারা ভালো বলতে পারবে।
.png)
এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, যে লোকটা স্যালারি শিট চুরি করতে পারে, (কর করাপশন ইনভলব) আসলে সে লোকটাকে নিয়ে কমেন্ট করতে আমার রুচিতে বাধে। সে সারাদেশের গুচ্ছ অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছে যতদূর জানি। তবে সে জায়গা থেকে ন্যূনতম দায়িত্ববোধ মনে না করে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন অনিয়মের মাধ্যমে।
সম্মানী গ্রহণের বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, তোমার কাছে ভুল তথ্য আছে। আমি অফিস করেছি, স্বাক্ষরও করেছি।
তবে কোষাধ্যক্ষ অফিসের সেকশন অফিসার নমিতা পাল বলেন, আমি যতখন ছিলাম স্যারকে দেখি নাই। এরপর আমি পরীক্ষার ডিউটিতে চলে যাই। পরীক্ষা শেষ বাংলোতে গেলেও স্যারকে পাওয়া যায়নি। অফিসে যে ছিল সেও দেখেনি।
উপাচার্যের পিএস টু ভিসি হোসাইন মোরশেদ ফরহাদ বলেন, স্যার ক্যাম্পাসে আসেন নাই। তবে বাংলোতে ছিলেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মঈনের বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।