বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অন্যান্য স্থাপনার পাশাপাশি একটি মসজিদ নির্মাণের কথা ছিল। তবে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর নির্মাণ করা হয় কেন্দ্রীয় মসজিদটি। দুইতলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন নকশার এই মসজিদ উদ্বোধন করা হয় ২০১১ সালে।

.png)
এখানে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন দুই হাজার মুসল্লি। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মসজিদে রয়েছে ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, নামাজ ও কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা। মসজিদে নামাজ ছাড়াও দোয়া মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত, শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের জন্য কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আসরের নামাজের পর এবং শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ইসলামিক আলোচনা করা হয়। এখানে প্রতিদিন শিক্ষার্থী ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা নামাজে অংশ নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শহিদ মিনার পর্যন্ত সে অভ্যন্তরীণ সড়কটি রয়েছে তার পাশেই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। প্রাকৃতিক আবহে তৈরি মসজিদের চারপাশে কৃষ্ণচূড়া, জবাসহ বিভিন্ন পুষ্পে ভরা। দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি দেখে মুঠোফোনে ধারণ করে রাখেন ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা।

কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. খলিলুর রহমান বলেন, মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান মসজিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি এখানে কোরআন শিক্ষা, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন ইসলামিক কার্যক্রম রয়েছে। মসজিদের নকশা যে কাউকে মুগ্ধ করবে। এখানে নামাজের, ইবাদতের শান্তশিষ্ট পরিবেশ রয়েছে।