সূত্র বলছে, প্রশ্ন ফাঁসকারী এই চক্রের প্রধান আহমেদ নিলয় (টেলিগ্রাম প্রোফাইলে দেওয়া নামে অনুযায়ী। তার টেলিগ্রাম প্রোফাইলের ইউজার নেম @ahmeedniloybd। প্রশ্ন ফাঁস করার জন্য তার একটি গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপ আছে। যদি কোনো ভর্তিচ্ছু ২০ হাজার টাকা অগ্রিম ও ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রদান করেন, তাহলে সেই গোপন গ্রুপে তাকে যুক্ত করা হয়। জানানো হয়, গ্রুপে এড করার পর হুবহু প্রশ্ন দেওয়া হবে। পরে বাকি ৩০ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আহমেদ নিলয় নামের ঐ ব্যক্তিকে টেলিগ্রামে বার্তা পাঠান গণমাধ্যম কর্মীরা, বার্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামীকালের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়। পরে তিনি মোট ৫০ হাজার টাকা চান।
.png)
তিনি বলেন, আজকের মধ্যেই ২০ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করতে হবে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের এক কপি ছবি বিকেল চারটার মধ্যেই দিতে হবে। এরপর একটি গোপন গ্রুপে যুক্ত করা হবে। সেখানেই আগামীকালের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সকালে (পরীক্ষার দিন) দেওয়া হবে।
এ সময় শতভাগ কমন পড়বে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার জন্য যতগুলো প্রশ্ন দেওয়া প্রয়োজন, ততগুলোই দেওয়া হবে। শতভাগ দিলে তো ধরা পড়ে যায়।
কোন বিকাশ নম্বরে তাকে টাকা পাঠাতে হবে সেটা জিজ্ঞেস করলে তিনি একটি বিকাশ নম্বরও দেন। এখানে তিনি ২০ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়ার জন্য বলেন। তার দেওয়া বিকাশ নম্বরটি হলো - ০১৬০৬০৬৮...।
এছাড়া ঢাবির ভর্তি ইচ্ছুক সেজে বার্তা পাঠানো এই প্রতিবেদককে তিনি তার ব্যক্তিগত ফোন নম্বরে কল দিতে মানা করেন এবং অনলাইনেই অর্থাৎ টেলিগ্রামে মেসেজ-কল দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, তার টেলিগ্রাম প্রোফাইলে লেখা আছে যে, প্রশ্ন ফাঁস করা শুধু আমার পেশা নয়, এটি আমার একটি নেশা।