শনিবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মোকাররম ভবনে ‘গাইডেন্স সেমিনার অন জেএসপিএস ফেলোশিপ প্রোগাম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ জেএসপিএস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং জাপান সোসাইটি ফর প্রমোশন অব সায়েন্সেস যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তি নিয়ে সঠিক ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে এই সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
.png)
ড. আলমগীর বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা জাপানে প্রযুক্তিখাতের ওপর উচ্চশিক্ষা নিয়ে নিজ দেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারবে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) সব বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চতর গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাপানসহ উন্নত বিশ্বে পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ প্রগামে সুযোগ বেশি পাবেন বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা বলেন, ‘জেএসপিএস হচ্ছে একটি কোর ফান্ডিং এজেন্সি। ১৯৩২ সাল থেকে এ এজেন্সি গবেষণার জন্য ফান্ডিং করছে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ফেলোশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে থাকে।’
সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার এবং জেএসপিএস আঞ্চলিক অফিসের (ব্যাংকক) পরিচালক অধ্যাপক ড. ইয়োশিও ওটানি।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুন।