ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

এইচএসসিতে চমক: প্রশংসায় ভাসছে আখাউড়া তিন বোন

কাজী মফিকুল ইসলাম, আখাউড়া
প্রকাশিত: ১৩:৫২, ২৭ নভেম্বর ২০২৩
এইচএসসিতে চমক: প্রশংসায় ভাসছে আখাউড়া তিন বোন
তিনজন বোন- লাবন্য, প্রীতি ও মেধা। ছবি: সংগৃহীত

মেধাবী শিক্ষার্থী লাবন্য, প্রীতি ও মেধা। সম্পর্কে তিনজন চাচাতো বোন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরশহরের দেবগ্রাম খান পরিবারের মেয়ে। গত এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেনে তারা তিন বোন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার এইচএসসিতেও মেধার স্বাক্ষর রেখে চকম সৃষ্টি করেন। 

মেধাবী এই তিন বোন এ বছর ঢাকা বোর্ডের হলিক্রস কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষা অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনই জিপিএ-৫ ও একজন কৃতিত্বের সঙ্গে ভালো ফলাফল করেছে। তাদের এ সাফল্যে অভিভাবক, সহপাঠী ও এলাকাবাসী উচ্ছ্বসিত, আনন্দিত। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছে এ তিন মেধাবী শিক্ষার্থী।  

তাদের এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার, সমাজ, এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দেশের কল্যাণে কাজ করবে এমনটাই প্রত্যাশা শিক্ষক সুশীল সমাজের। 

Advertisement

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেবগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সাবেক ব্যাংকার কামাল আহাম্মদ খানের মেয়ে নুরে জান্নাত লাবণ্য ব্যবসা শিক্ষা শাখা থেকে জিপিএ-৪.৮৩ পেয়েছে। প্রভাষক মোহাম্মদ জাবেদ আহাম্মদ খানের মেয়ে তাসনিম জান্নাত মেধা ব্যবসা শিক্ষা শাখা থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং সাংবাদিক বাদল আহাম্মদ খানের মেয়ে তোফাতুল জান্নাত প্রীতি ব্যবসা শিক্ষা শাখা থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের তিনজনের মা হলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। 

শিক্ষার্থী প্রীতির বাবা সাংবাদিক বাদল আহম্মেদ খান বলেন, এই ফলাফলের প্রথমে মেয়েকে অভিনন্দন জানাই। সে মা-বাবার আদর স্নেহ ছেড়ে ঢাকায় থেকে পড়ালেখা করেছে। এ সাফল্যের জন্য তার মায়ের অবদান সবচাইতে বেশি। আমি তাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সর্বোপরি শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

পৌর শহরের দেবগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ মাহফুজুর রহমান বলেন, এই তিন বোন এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। তারা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। এইচএসসিতে ভালো ফলাফল করায় আমি তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি। 

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, অভিভাবকদের সচেতনতা এবং ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহের কারণেই আসলে ফলাফল ভালো হয়েছে। বিশেষ করে খান বাড়ির অভিভাবকরাও খুবই সচেতন। তাদের ছেলেমেয়েরাও পড়ালেখায় ভালো। সেজন্য তারা ভালো ফলাফল করেছে। এমন সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: এইচএসসি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!