বৃহস্পতিবার চিঠিটি সব জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং স্কুলে-স্কুলে পাঠানো হয়েছে। স্কুলগুলোকে বলা হয়েছে, ঐ চিঠিটি ফটোকপি করে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের পাঠাতে।
চিঠিতে অধিদফতর বলছে, ২০৪১ এর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে স্মার্ট নাগরিক তৈরির বিকল্প নেই। ভবিষ্যতের দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হলে শুধু মুখস্থ করায় পারদর্শী নাগরিক তৈরি করলে চলবে না। আমাদের এমন নাগরিক দরকার যে পাঠ্যবিষয় সক্রিয় শিখনের মাধ্যমে অনুধাবন করে আত্মস্থ করবে, যেন তা পরে প্রয়োজন মতো প্রয়োগও করতে পারে। একইসঙ্গে হাতে কলমে কাজ শিখে দক্ষ নাগরিক হবে। হবে দেশপ্রেমিক কিন্তু বিশ্ব নাগরিক, প্রতিযোগিতার বদলে সহযোগিতা করতে পারদর্শী এবং পরিবর্তনের সঙ্গে নিজের যোগ্যতার রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম। নতুন শিক্ষাক্রম তেমন স্মার্ট নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে।
.png)
অধিদফতর আরো বলে, বলা হচ্ছে পড়াশুনা নেই, পরীক্ষা নেই, শিক্ষার্থীরা কিছু শিখছে না। এটি মিথ্যাচার। মানুষকে বিভ্রান্ত করবার জন্য এসব বলা হচ্ছে। এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পড়বে, নিজেরা সক্রিয়ভাবে পড়বে, শিখবে। গ্রুপ ওয়ার্ক করে আবার তা নিজেরাই উপস্থাপন করবে। শুধু জ্ঞান নয়, দক্ষতাও অর্জন করবে। আর মূল্যায়ন হবে প্রতিটি কাজের। আবার ষান্মাসিক মূল্যায়ন এবং বার্ষিক মূল্যায়নও হবে। কাজেই পরীক্ষা ঠিকই থাকছে, কিন্তু পরীক্ষার ভীতি থাকছে না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং না হওয়াও আছে। শুধু তাই নয়, পারদর্শিতার সাতটি ফেলে তাদের রিপোর্ট কার্ডও আছে।