তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণায় উৎসাহী করতে ইউজিসি এ খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দিয়ে গবেষণা পরিচালনা এবং মানসম্পন্ন গবেষণার জন্য এসব শিক্ষার্থীকে সম্মানজনক বৃত্তি এবং আবাসিক সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নিতে হবে।
রোববার দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে রাসায়নিক বিজ্ঞান উপ-শাখার গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাব মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালায় এসব কথা বলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।
.png)
কর্মশালায় ৩৬টি গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হয়। ইউজিসি অডিটোরিয়ামে রিসার্চ সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিকেশন (রিসাপা) ডিভিশন এ কর্মশালার আয়োজন করে। রিসাপা ডিভিশনের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন ও ফলধর্মী গবেষণা পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় আগ্রহী করতে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণার ফলাফল প্রকাশে অনুদান, আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেমিনার আয়োজনে অর্থ সহযোগিতাসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইউজিসি। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণায় এগিয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রণীত একটি নীতিমালা হাইকোর্টে ইউজিসি পাঠিয়েছে। এ সম্পর্কে নির্দেশনা পাওয়ার পর এটি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হবে।