জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট (বুধবার) রাতের খাবার পরিবেশনের পর আজ সকাল থেকেই খোঁজ নেই সুমন ও তার কর্মচারীদের। তারা হলের ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্বে চলতি মাস আগস্ট থেকে শুরু করেন। ক্যান্টিনে দায়িত্বরত বাবুর্চি মো. বেলাল নতুন পরিচালকের পলায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ক্যান্টিনের বাবুর্চি বেলাল জানান, হলের ক্যান্টিন চালাতে গিয়ে লোকসান ও ঋণের সম্মুখীন হয় সুমন। আজ মাসের শেষদিন ক্যান্টিনে আয়-ব্যয়ের হিসাব করা হবে, যথাযথ হিসাব দিতে পারবে না বলে এবং ক্যান্টিনের গ্যাস মালিকদের ও অন্যান্যদের টাকা পরিশোধ করার চাপ সহ্য করতে না পেরেই সে ও তার লোকেরা পালিয়েছে।
.png)
দুপুরের ক্যান্টিন চলবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, সুমন ও তার লোকেরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় রান্নার জন্য তরকারি ও গ্যাস কেনা সম্ভব না। এই মূহুর্তে রান্নার কাজে হাত দিতে পারছি না। আপাতত ক্যান্টিন বন্ধ থাকবে।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন বলেন, আজ ঘুম থেকে উঠার পর ক্যান্টিনে গিয়ে জানলাম, পরিচালক ও তার লোকেরা পালানোয় ক্যান্টিন বন্ধ। এমতাবস্থায়, আমাদের অন্য হলের ক্যান্টিন আর বাইরের হোটেলে থেকে খাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নাই। এ ভোগান্তি দূর করার জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
শেরে বাংলা হলের ক্যান্টিন পরিচালক সুমনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট আবু জাফর মিয়া বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।