ঢাকা,  শনিবার   ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

জবিতে সংগীত বিভাগের আয়োজনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৫২, ৮ মে ২০২৩
জবিতে সংগীত বিভাগের আয়োজনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করার কালজয়ী পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলার গান, কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছোটগল্প সাহিত্যকর্মকে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ব দরবারে। প্রতিবছরের মতো এবারো রবীন্দ্রজয়ন্তীতে রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করতে সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগ।

সোমবার (৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ১২ তলায় রবীন্দ্রনাথের ১৬২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় সংগীতের এই সংহতিকে আমাদের জাতীয় জীবনেও ধরে রাখতে হবে। রবীন্দ্রনাথ কম কথায় অত্যন্ত ভাবগম্ভীর লেখা লিখতেন। তার লেখার সঙ্গে অন্য কারো তুলনা চলে না। 

সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ১৯টি গান পরিবেশন করা হয়। এ গানগুলোর মধ্যে ছিল ঐ মহামানব আসে, হে নূতন দেখা দিক আর বার, লহো লহো তুলে লহো, ও তোমার প্রেমে ধন্য, রাইমা মজুমদার রাত্রি, জগত জুড়ে উদার সুরে, দাঁড়াও আমার আঁখির আগে, সূচিতা সোদি, মম চিত্তে নিতি নৃত্যে, প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে, তোরা শুনিস নি কি , বাংলার মাটি বাংলার জল, জয় তব বিচিত্র, চরণধ্বনি শুনি তব, আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার, বিশ্বনাথে যোগে যেথায় বিহারো।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ঝুমুর আহমেদসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (১৮৬১ সালের ৭ মে) কলকাতার বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সে কারণে ২৫ বৈশাখ দিনটি পালিত হয় রবীন্দ্রজয়ন্তী হিসেবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!